ধারা-৩ ও ৪ স্লোগান :
সবার উপরে দেশ, আমাদের পতাকা আমাদের প্রাণ, উন্নয়নে প্রতিশ্রুতি এবং ন্যায়ে অবিচল”এবং আদর্শ : রাষ্ট্র জনগণের, উন্নয়ন জনগণের, ক্ষমতা জনগণের।
ধারা-৫ দলীয় অঙ্গীকার
১.সংবিধানের মৌলিক কাঠামো রক্ষা করা। ২. জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা ৩. দূর্নীতিমুক্ত, ন্যায়নিষ্ঠ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠ করা। ৪. জাতীয় ঐক্য ও সুশাসনের মাধ্যমে সমৃদ্ধ প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা।
ধারা-৭
৭.১ লক্ষ ও উদ্দেশ্যে : গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার
(ক) গণতন্ত্র, জাতীয় ঐক্য ও মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা। (খ) জনগণই রাষ্ট্রক্ষমতার একমাত্র উৎস এ নীতিতে অটল থাকা। (গ) অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বচানের মাধ্যম ক্ষমতার হস্তান্তর নিশ্চিত করা। (ঘ) আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।
৭.২ মানবাধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচার
(ক) প্রত্যেক নাগরিকর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও নিরাপত্তার অধিকার নিশ্চিত করা। (খ) দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নকে অগ্রাধিকারে রাখা। (গ) নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ও প্রবীণদের জন্য সুরক্ষা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা।
ধারা-৭ এর ৩ ও ৪
৭.৩ ধর্মীয় সম্প্রীতি ও জাতীয় ঐক্য
(ক) বাংলাদেশ একটি বহুধর্মীয়, বহুসাংস্কৃতিক সমাজ-এক সংরক্ষণ ও সম্মান করা। (খ) ধর্মকে রাজনীতির হাতিয়ার না করে নৈতিক মূল্যবোধের উৎস হিসেবে দেখা। (গ) সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থাণ নিশ্চিত করা। (ঘ) পতাকা পোস্টার ও বিভিন্ন প্রচার ক্ষেত্রে ধর্মের নাম ব্যবহার না করা।
৭.৪ সুশাসন ও জবাবদিহিতা
(ক) দুর্নীতি, ঘুষ, স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা। (খ) সরকারি ও দলীয় সব স্তরে জবাদিহিমূলক কাঠামো গড়ে তোলা। (গ) প্রশাসন ও রাজনীতিতে দক্ষতা ও নৈতিকতার ভিত্তিতে নেতৃত্ব নির্বাচন।
ধারা-৭ এর ৫ ও ৬
৭.৫ অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ন্যায়ভিত্তিক বাজারনীতি
(ক) মুক্তবাজার অর্থনীতি ও সামাজিক দায়বদ্ধতার সমন্বয়। (খ) উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র-মাঝারি ব্যবসা খাতকে জাতীয় উন্নয়নের চালিকা শক্তি হিসেবে গড়ে তোলা। (গ) কৃষি, শিল্প ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলা।
৭.৬ শিক্ষা, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন
(ক) তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ও সাইবার নিরাপত্তায় রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ করা। (খ) মানসম্মত ও বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা (গ) কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণ। (ঘ) তরুণ প্রজন্মকে উদ্ভাবনী উদ্যোগে উৎসাহিত করা। (ঙ) শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তিকে উন্নয়নের মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করা। (চ) ই-গভের্নেন্স-জনগণের সেবা হবে দ্রুত, ডিজিটাল ও দুর্নীতিমুক্ত।
৭.৭ পরিবেশ ও টেশসই উন্নয়ন
(ক) জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা। (খ) নদী, বন ও কৃষিজমি রক্ষা এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের প্রসার করা। (গ) শহর ও গ্রামে পরিবেশবান্ধব অবকাঠানো উন্নয়ন করা। (ঘ) দেশকে নদী মাতৃক, কৃষি উন্নয়নে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
৭.৮ নারী ও যুব নেতৃত্বেও বিকাশ
(ক) জাতীয় রাজনীতিতে নারীর ৩৩% অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। (খ) যুবসমাজকে নেতৃত্ব ও নীতিনির্ধারণে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেয়া। (গ) তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা উদ্যোগে সহায়তা করা।
৭.৯ জনসম্পৃক্ত শাসন :
(ক) স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করা। (খ) নাগরিকদের মতামতকে রাষ্ট্রীয় নীতিতে অন্তর্ভূক্ত করা।
ধারা-৭ এর ১০ ও ১১
৭.১০ দলের কাঠামো
(ক) দেশের ভৌগলিক সীমার বাহিরে কোনো রাজনৈতিক কার্যালয় গঠন করা হবে না। (খ) সংবিধান পরিপন্থী তথা দেশ ও জনগণের জন্য ক্ষতিকারক এমন কোনো কাজ করা হবে না। (গ) দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গল নয় এমন কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ বা বাস্তবায়ন কোনো পরিস্থিতিতেই করা হবে না।
৭.১১ বৈদেশিক নীতি ও সার্বভৌমত্ব
(ক) সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়- এই নীতি অনুসরণ করা। (খ) আঞ্চলিক সহযোগিতা, বাণিজ্য, ও মানবিক সংযোগ বৃদ্ধি করা। (গ) প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ ও মর্যাদা রক্ষা করা। (ঘ) সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক ও পেশাদার রাখতে অঙ্গীকারবদ্ধ থাকা।
ধারা-৮ ও ৯ দলীয় পতাকা এবং লোগো
দলীয় পতাকা : দলীয় পতাকা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে উজ্জবিত রাখতে লাল সবুজ রংয়ের হবে। গণতন্ত্রকে পরিস্কার রাখতে সাদা ৩টি স্টার ব্যবহার করা হবে, প্রয়োজনবোধে প্রতিষ্ঠাতার ছবি, মার্কা ও লোগো ব্যবহার করা যেতে পারে।
দলীয় লোগো : দলীয় লোগো গোল বৃত্তের ভিতরে লাল, সবুজ, সাদা রংয়ের সাথে প্রতীক চিহ্ন ব্যবহার করা হবে। এবং ইংরেজিতে নাম ও প্রতিষ্ঠাকাল লেখা থাকবে।