কে.এম আবু হানিফ হৃদয়
বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি) নিবন্ধন নং ৫৭, প্রতীক হাতি। প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান কে.এম আবু হানিফ হৃদয় ১৯৮৩ সালে বৃহত্তম ঢাকার নারায়ণগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২০১৪ সাল থেকে আন্দোলন, সংগ্রাম, সারাদেশে কমিটি, অফিসসহ নির্বাচন কমিশনের শর্ত পূরণ করার পরেও ২০১৮ সালে নিবন্ধন না দিয়ে হতাশ করেন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। পরবর্তীতে তিনি ৭ বছর আইনি লড়াই শেষে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের মাধ্যমে ২০২৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর নিবন্ধন পান।






























































ধারা-৩ ও ৪ স্লোগান :
সবার উপরে দেশ, আমাদের পতাকা আমাদের প্রাণ, উন্নয়নে প্রতিশ্রুতি এবং ন্যায়ে অবিচল”এবং আদর্শ : রাষ্ট্র জনগণের, উন্নয়ন জনগণের, ক্ষমতা জনগণের।
ধারা-৫ দলীয় অঙ্গীকার
১.সংবিধানের মৌলিক কাঠামো রক্ষা করা। ২. জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। ৩. দূর্নীতিমুক্ত, ন্যায়নিষ্ঠ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠ করা। ৪. জাতীয় ঐক্য ও সুশাসনের মাধ্যমে সমৃদ্ধ প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা।
ধারা-৯ দলীয় লোগো :
দলীয় লোগো গোল বৃত্তের ভিতরে লাল, সবুজ, সাদা রংয়ের সাথে প্রতীক চিহ্ন ব্যবহার করা হবে। এবং ইংরেজিতে নাম ও প্রতিষ্ঠাকাল লেখা থাকবে।
ধারা-৮ দলীয় পতাকা :
দলীয় পতাকা মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে উজ্জবিত রাখতে লাল সবুজ রংয়ের হবে। গণতন্ত্রকে পরিস্কার রাখতে সাদা ৩টি স্টার ব্যবহার করা হবে, প্রয়োজনবোধে প্রতিষ্ঠাতার ছবি, মার্কা ও লোগো ব্যবহার করা যেতে পারে।
৭.৩ ধর্মীয় সম্প্রীতি ও জাতীয় ঐক্য
(ক) বাংলাদেশ একটি বহুধর্মীয়, বহুসাংস্কৃতিক সমাজ-এক সংরক্ষণ ও সম্মান করা। (খ) ধর্মকে রাজনীতির হাতিয়ার না করে নৈতিক মূল্যবোধের উৎস হিসেবে দেখা। (গ) সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থাণ নিশ্চিত করা। (ছ) পতাকা পোস্টার ও বিভিন্ন প্রচার ক্ষেত্রে ধর্মের নাম ব্যবহার না করা।
৭.৪ সুশাসন ও জবাবদিহিতা
(ক) দুর্নীতি, ঘুষ, স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা। (খ) সরকারি ও দলীয় সব স্তরে জবাদিহিমূলক কাঠামো গড়ে তোলা। (গ) প্রশাসন ও রাজনীতিতে দক্ষতা ও নৈতিকতার ভিত্তিতে নেতৃত্ব নির্বাচন।
৭.৫ অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বাজারনীতি
(ক) মুক্তবাজার অর্থনীতি ও সামাজিক দায়বদ্ধতার সমন্বয়। (খ) উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র-মাঝারি ব্যবসা খাতকে জাতীয় উন্নয়নের চালিকা শক্তি হিসেবে গড়ে তোলা। (গ) কৃষি, শিল্প ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলা।
৭.৮ নারী ও যুব নেতৃত্বেও বিকাশ
(ক) জাতীয় রাজনীতিতে নারীর ৩৩% অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। (খ) যুবসমাজকে নেতৃত্ব ও নীতিনির্ধারণে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেয়া। (গ) তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা উদ্যোগে সহায়তা করা।



