প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান
কে.এম আবু হানিফ হৃদয়

বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন পাওয়ায় দেশবাসিকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান কে.এম আবু হানিফ হৃদয়। তিনি একজন সাংবাদিক ও কথা সাহিত্যিক হিসেবে দেশ ও প্রবাসের সকল মিডিয়া ব্যক্তিদের নিবন্ধন ও হাতি মার্কাকে উৎসর্গ করেছেন। দলটি প্রতিষ্ঠাতার ১২ বছর পর দীর্ঘ ৭ বছর আইনী লড়াইয়ে এডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনিরের ৩ দফা শুনানীতে ২০২৫ সালের ২৩ জুলাই বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও কে.এম জাহিদ সারোয়ারের আদালত বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টিকে ৩০দিনের মধ্যে নিবন্ধন দিতে রায় দেন। ৭ আগস্ট, ২০২৫ সালে রায়ের কপি নির্বাচন কমিশনে জমা দিলে ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ সালে কমিশন আপিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। শ্বাসরুদ্ধকার লড়াইয়ে গত ১২ অক্টোবর, ২০২৫ সালে আপীল নিষ্পত্তি হয়। দীর্ঘ ১ যুগ রাজনীতির মাঠে আন্দোলন, যুদ্ধ, নিরবতা, ধৈর্য্য ধারনের মাধ্যমে ২২ অক্টোবর, ২০২৫ সালে নিবন্ধনের প্রজ্ঞাপন জারি করেন। ২০১৪ সালে দলটির প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক হাতি বহাল রেখে বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টিকে নিবন্ধন দেয়।

দলটির চেয়ারম্যান তিনি ২০০৮ সালে ৯ম জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিতে ব্যর্থ হন। ২০১৪ সালে ১০ম জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র প্রার্থীতা ১% সমর্থন যাচাই-বাছাইয়ে নির্বাচন কমিশন মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীতা বাতিলের অনুতাপ থেকে রাজনৈতিক দল গঠন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তারপর তিনি ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি দিয়ে দল গঠন করেন। ২০১৮ সালে একাদশ নির্বাচনের পূর্বে নিবন্ধনের আবেদন করলে কমিশন তা খারিজ করেদেন। খারিজের বিরুদ্ধে কমিশনকে চ্যালেঞ্জ করে তিনি হাইকোর্ট বিভাগের ভেকেশন কোর্টে রীট দাখিল করেন। বিচারপতি মোঃ নজরুল ইসলাম তালুকদার ও কে.এম হাফিজুর রহমানের আদালত বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টিকে কেন নিবন্ধন দেয়া হবে না এইমর্মে কমিশনের বিরুদ্ধে ৪ সপ্তাহের রুল জারি করেন। পরবর্তীতে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী বিচারপতি আশরাফুল ইসলাম কোর্টে শুনানীর অেেপক্ষামান থাকাকালীন ৬জন আইনজীবি নিয়োগের মধ্যে প্রধান আইনজীবি মৃত্যুবরণ করেন।

আদালতে রীট চলাকালীন একাদশ নির্বাচনেও তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৫ ও নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে মনোনয়নপত্র জমাদেন। আবারো ১% সমর্থন যাচাই-বাছাইয়ে কমিশন দু’টি মনোনয়নপত্রই বাতিল করেন। ২০২৪ সালে দ্বাদশ নির্বাচনে জোটগতভাবে ঢাকা-৫ ও নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেও ভোট গ্রহণের ৩দিন পূর্বে ফ্যাসিস্টদের নীল নকশার নির্বাচন বুঝতে পেরে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন প্রত্যাখান করেন। সংবাদ সম্মেলনের পর তিনি দীর্ঘ ছয় মাস আত্মগোপনে ছিলেন। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে তিনি আত্মগোপন থেকে

Scroll to Top